তীর্থঙ্করদের প্রশংসায় জৈন ভক্তিমূলক স্তোত্র।
৪৮ শ্লোকের একটি জৈন স্তোত্র, যা প্রথম তীর্থঙ্কর ঋষভনাথের উদ্দেশে রচিত; আচার্য মানতুঙ্গের নামে প্রচলিত এবং সুরক্ষা ও আধ্যাত্মিক আশীর্বাদের জন্য পাঠ করা হয়।
এটি একটি জৈন প্রার্থনামূলক স্তোত্র যা জৈন ধর্মের ২৪ জন তীর্থঙ্করকে (মুক্তিপথের দিশারী) মহিমান্বিত করে। প্রাকৃত ভাষায় রচিত এই স্তোত্রে প্রতিটি তীর্থঙ্করের নাম ও গুণাবলীর প্রশংসা করা হয়েছে।
পাঁচটি শ্লোকের এই জৈন স্তোত্র, যা নবস্মরণের একটি; এতে তেইশতম তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথকে আহ্বান করে বাধা অপসারণ ও মুক্তিলাভের প্রার্থনা করা হয়।
এটি একটি জৈন ভক্তিগীতি বা স্তোত্র, যা ভগবান জিনেন্দ্রের (প্রথম তীর্থংকর) চরণকমলের প্রশংসায় রচিত। এই স্তোত্র পাঠ করলে সংসারের দুঃখ-কষ্ট দূর হয় এবং মোক্ষলাভ হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।
এটি একটি জৈন স্তোত্র যা ভগবান পার্শ্বনাথের প্রশংসা করে। এই স্তোত্রে বলা হয়েছে যে পার্শ্বনাথের প্রভাবে সমস্ত জীব সুখ লাভ করে এবং দুঃখ থেকে মুক্ত হয়।
এই জৈন স্তব তীর্থঙ্কর অজিত ও শান্তিকে নমস্কার জানায়, তাঁদের গুণকীর্তন করে এবং ভবসাগর পার হওয়ার সহায়তা প্রার্থনা করে।
এটি জৈন ধর্মের একটি স্তব, যা ভগবান বর্ধমান (মহাবীর)-কে নমস্কার জানাচ্ছে। তাঁকেই এই শাস্ত্রের প্রবর্তক বলে মনে করা হয়, যা সংসাররূপী সমুদ্র পার হবার উপায় শেখায়।