Bharat Devotion
Embroidered artwork for ধীরে ধীরে, হে মন: Sant Kabir seated at his weaving loom with an ektara, in an embroidered riverside scene

ধীরে ধীরে, হে মন

ধীরে ধীরে, হে মন

কবীরের এই দোহা শেখায় যে আধ্যাত্মিক বিকাশ নিজের সময়েই ঘটে, যেমন গাছে ফল ধরে তার ঋতু এলে।

শ্লোক

ধীরে ধীরে রে মনা, ধীরে সব কুছ হোয মালী সীংচে সৌ ঘডা, ঋতু আএ ফল হোয
Dheere dheere re mana, dheere sab kuchh hoy. Maali seenche sau ghada, ritu aaye phal hoy.

Worship Guidelines & Chanting Benefits (Phalashruti)

Auspicious Day

প্রতিদিন অথবা শুভ তিথিতে

Best Time (Muhurta)

ব্রাহ্ম মুহূর্ত (সকাল ৪টা - ৬টা) অথবা সন্ধ্যাবেলা

Sacred Offerings

ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, তাজা ফুল ও নৈবেদ্য

Spiritual Benefits (Phalashruti)
  • মানসিক শান্তি, আধ্যাত্মিক উন্নতি ও শুভ শক্তি

প্রেক্ষাপট

এই দোহাটি কবীর দোহাবলীতে ১২ নং দোহা হিসেবে লিপিবদ্ধ (কবিতাকোশ, পৃষ্ঠা ১), যেখানে এটি কবীরের রচনা বলে উল্লেখ আছে। দোহাবলী পরবর্তী কালের সংকলন, তাই এই কর্তৃত্ব সেই মুদ্রিত ঐতিহ্যের উপর নির্ভরশীল। কবীর (পঞ্চদশ শতাব্দী) বারাণসীর তাঁতি-কবি এবং নির্গুণ সন্ত ধারার কণ্ঠ ছিলেন, যেখানে বাহ্যিক আচারের চেয়ে অন্তরের ভক্তির উপর জোর দেওয়া হয়। দৈনন্দিন ধ্যানে বা ধৈর্য ও ঐশ্বরিক সময়ের প্রতি বিশ্বাসের মৃদু স্মারক হিসেবে এই দোহা প্রায়ই পাঠ করা হয়। এটি শেখায় যে আধ্যাত্মিক হোক বা প্রাকৃতিক, কোনো বিকাশকে জোর করে আনা যায় না; তা নিজের ঋতুতেই ফলে।

এই পাঠ সম্পর্কে

রচয়িতা: Sant Kabir · Medieval Nirguna Bhakti Poet-Saint · 15th century, Varanasi

A mystic poet and weaver by trade from Varanasi, whose blunt, image-rich couplets (dohas) rejected ritualism and caste distinctions in favor of direct, formless (nirguna) devotion. His verses are revered across Hindu, Sikh (many appear in the Guru Granth Sahib), and Sufi-influenced traditions alike.

আপনি কি জানেন?

রচয়িতা

এই দোহাটি (হিন্দি ভক্তিকাব্যে প্রচলিত দুই পঙ্ক্তির শ্লোক) কবিতাকোশের কবীর দোহাবলীতে ১২ নং দোহা হিসেবে লিপিবদ্ধ, এবং সেখানে এটি পঞ্চদশ শতাব্দীর রহস্যবাদী কবি কবীরের রচনা বলে উল্লেখিত। এটি উত্তর ভারতের মৌখিক ঐতিহ্যেও প্রচলিত, তাই এই কর্তৃত্ব মুদ্রিত দোহাবলীর উপর নির্ভরশীল।

কাব্যরূপ

এই পঙ্ক্তি একটি দোহা, যার প্রতি পঙ্ক্তিতে ২৪ মাত্রা (প্রথম পঙ্ক্তিতে ১৩+১১, দ্বিতীয় পঙ্ক্তিতে ১১+১৩)। প্রতিটি পঙ্ক্তির একটি নির্দিষ্ট ছন্দ আছে, যা দৈনন্দিন জীবনে, বিশেষত গ্রামীণ ও ভক্তিমূলক পরিবেশে, আবৃত্তি ও মুখস্থ করা সহজ করে।

মূল বার্তা

মালী শত ঘড়া জল ঢালে (নিরন্তর প্রচেষ্টার প্রতীক), তবু ফল আসে কেবল ঋতু এলে। এটি মানুষের কর্ম ও ঐশ্বরিক সময়ের পারস্পরিক সম্পর্কের রূপক। বারবার সম্বোধিত 'মনা' (হে মন) শব্দটি শিক্ষাটিকে অন্তর্মুখী করে তোলে, এবং শ্রোতাকে কেবল জাগতিক কাজে নয়, আধ্যাত্মিক সাধনায়ও ধৈর্য চর্চার আহ্বান জানায়।

লোকাচার

উত্তর ভারতে এই পঙ্ক্তি প্রায়ই এমন কাউকে সান্ত্বনা দিতে উদ্ধৃত হয়, যিনি দেরিতে আসা ফল নিয়ে উদ্বিগ্ন, তা কৃষিকাজ, শিক্ষা বা আধ্যাত্মিক বিকাশ যেখানেই হোক। এতে এমন এক দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয় যেখানে প্রচেষ্টা প্রয়োজনীয় কিন্তু যথেষ্ট নয়; ফল নির্ভর করে এমন অদৃশ্য চক্রের উপর (প্রকৃতি, কর্ম বা কৃপা) যা তাড়াহুড়ো করে আনা যায় না।

কাঠামোগত জোর

প্রথম পঙ্ক্তিতে 'ধীরে' শব্দটি তিনবার আছে, যা এক ছন্দোময়, ধ্যানমগ্ন পুনরাবৃত্তি সৃষ্টি করে যা বিষয়বস্তুকে প্রতিফলিত করে। এই জোরালো ধীর গতি পাঠককে মানসিকভাবে থেমে যেতে বাধ্য করে, আর তাতে রূপ ও বিষয়বস্তু একসঙ্গে মেলে।

Sant Kabirর সম্পূর্ণ স্তোত্র ও প্রার্থনা

Sant Kabir

Sant Kabirর সব দেখুন →

কবীর পন্থ থেকে আরও

সব দেখুন