ইতনি শক্তি হামেঁ দেনা দাতা
এটি একটি জনপ্রিয় হিন্দি ভজন, যেখানে ঈশ্বরের কাছে জীবন সঠিক পথে চলার জন্য শক্তি, জ্ঞান ও পবিত্রতা চাওয়া হয়েছে। প্রার্থনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা যেন অন্যের প্রতি হিংসা না করে বরং সবাইকে সুখ বিতরণ করি।
শ্লোক
আমাদের এত শক্তি দাও, হে দাতা, যাতে মনের বিশ্বাস দুর্বল না হয়; আমরা সৎপথে চলি, এবং ভুল করেও আমাদের থেকে কোনো ভুল না হয়।
শ্লোক 1
অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করো; তুমি আমাদের জ্ঞানের আলো দাও। আমরা প্রতিটি মন্দ থেকে রক্ষিত থাকি; যতটুকুই দাও, একটি ভালো জীবন দাও। কারো প্রতি কারো শত্রুতা না থাকুক; মনে প্রতিশোধের ভাবনা না থাকুক।
শ্লোক 2
আমরা কী পেয়েছি তা না ভাবি; আমরা ভাবি কী অর্পণ করেছি। সুখের ফুল সবাইকে বিলাই; সবার জীবনই মধুবনে পরিণত হোক। তোমার করুণার জল প্রবাহিত করে, প্রতিটি মনের প্রতিটি কোণ পবিত্র করে দাও।
শ্লোক 3
Worship Guidelines & Chanting Benefits (Phalashruti)
প্রতিদিন অথবা শুভ তিথিতে
ব্রাহ্ম মুহূর্ত (সকাল ৪টা - ৬টা) অথবা সন্ধ্যাবেলা
ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, তাজা ফুল ও নৈবেদ্য
- মানসিক শান্তি, আধ্যাত্মিক উন্নতি ও শুভ শক্তি
প্রেক্ষাপট
এই ভজনটি হিন্দি ভক্তিমূলক গানের ঐতিহ্যের অংশ, যা সাধারণত সকালের প্রার্থনা বা ধর্মীয় সভায় গাওয়া হয়। এটি বিশেষ করে নবরাত্রি বা দেবী পূজার সময় জনপ্রিয়, যেখানে ঈশ্বরকে 'দাতা' (সবকিছু দানকারী) হিসেবে সম্বোধন করে শক্তি, জ্ঞান ও পবিত্রতার জন্য প্রার্থনা করা হয়। ভজনটির রচয়িতা বা নির্দিষ্ট সময় নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এটি বহু হিন্দু পরিবারে দৈনন্দিন প্রার্থনার অংশ।
এই পাঠ সম্পর্কে
রচয়িতা: Abhilash
আপনি কি জানেন?
উৎস
এই প্রার্থনাটি ১৯৮০ সালের হিন্দি চলচ্চিত্র 'আশা' থেকে নেওয়া, যেখানে এটি কিশোর কুমারের কণ্ঠে অমর হয়ে আছে। আর. ডি. বর্মনের সুর ও গুলশান বাওড়ার রচনা এটিকে একটি জনপ্রিয় ভক্তিগীতি করে তুলেছে।
অর্থ
এটি একটি শক্তিশালী প্রার্থনা যেখানে ভক্ত ঈশ্বরের কাছে চান – মনোবল, জ্ঞান, অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করার আলো, এবং পরনিন্দা বা প্রতিশোধের ইচ্ছা থেকে দূরে থাকার শক্তি। প্রতিটি স্তবক একটি নির্দিষ্ট মানবিক গুণের জন্য আবেদন করে।
গঠন
তিনটি স্তবকে বিভক্ত প্রার্থনাটি প্রথমে আত্মবিশ্বাস ও সৎপথে চলার শক্তি, দ্বিতীয়তে জ্ঞান ও শত্রুতা থেকে মুক্তি, এবং তৃতীয়তে নিঃস্বার্থ দান ও করুণা প্রার্থনা করে। এটি একটি সুশৃঙ্খল আধ্যাত্মিক অগ্রগতি দেখায়।
বার্তা
শেষ স্তবকের 'ফুল খুশিয়োঁ কি বाँटे सबी को' (সবার মাঝে সুখের ফুল বিলিয়ে দাও) লাইনটি উদারতা ও ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্বকে জোর দেয়। 'বৈর হো না কিসি কা কিসি সে' (কারো প্রতি বিদ্বেষ না থাকুক) অংশটি শান্তি ও সম্প্রীতির সার্বজনীন আদর্শকে প্রতিফলিত করে, যা ধর্ম নির্বিশেষে সকলের কাছে প্রাসঙ্গিক।
Devi
হিন্দুধর্ম থেকে আরও
সব দেখুনসম্পর্কিত শিক্ষা
একই শিক্ষা, বিভিন্ন ঐতিহ্যে প্রতিধ্বনিত
