Bharat Devotion
Embroidered artwork for শ্যামের বাঁশির ডাক: Embroidered Om symbol above a brass diya, marigolds and a temple spire at sunrise

শ্যামের বাঁশির ডাক

শ্যামের বাঁশির ডাক

এই ভজনটি কৃষ্ণের বাঁশির মোহনীয় সুরের কথা বলে, যা রাধা ও মীরা উভয়ের হৃদয়কে আকর্ষণ করে। এটি দেখায় যে কৃষ্ণের প্রেম সকল ভক্তের জন্য সমান, এবং তাঁর সুরের প্রতি সবাই মুগ্ধ হয়।

শ্লোক

শ্যাম তেরী বন্সী পুকারে রাধা নাম লোগ করেং মীরা কো যূঁ হী বদনাম
Shyam Teri Bansi Pukare Radha Naam Log Karen Meera Ko Yun Hi Badnaam

শ্লোক 1

সাঁবরে কী বন্সী কো বজনে সে কাম রাধা কা ভী শ্যাম হো তো মীরা কা ভী শ্যাম
Sanwre Ki Bansi Ko Bajne Se Kaam Radha Ka Bhi Shyam Ho To Meera Ka Bhi Shyam

শ্লোক 2

জমনা কী লহরেং বন্সীবট কী ছঈযা কিসকা নহীং হৈ কহো কৃষ্ণ কন্হৈযা শ্যাম কা দীবানা তো সারা ব্রিজধাম লোগ করে মীরা কো যূঁ হী বদনাম
Jamna Ki Lehren Bansibat Ki Chhaiya Kiska Nahin Hai Kaho Krishna Kanhaiya Shyam Ka Deewana To Sara Brijdham Log Karen Meera Ko Yun Hi Badnaam

শ্লোক 3

কৌন জানে বাঁসুরিযা কিসকো বুলাএ জিসকে মন ভাএ বো উসীকে গুণ গাএ কৌন নহীং বন্সী কী ধুন কা গুলাম রাধা কা ভী শ্যাম হো তো মীরা কা ভী শ্যাম
Kaun Jane Bansuriya Kisko Bulaye Jiske Man Bhae Wo Usike Gun Gaye Kaun Nahin Bansi Ki Dhun Ka Ghulam Radha Ka Bhi Shyam Ho To Meera Ka Bhi Shyam

শ্লোক 4

Worship Guidelines & Chanting Benefits (Phalashruti)

Auspicious Day

বুধবার, বৃহস্পতিবার ও একাদশী

Best Time (Muhurta)

ব্রাহ্ম মুহূর্ত অথবা সন্ধ্যাবেলা

Sacred Offerings

তুলসী পাতা, মাখন-মিছরি ও হলুদ ফুল

Spiritual Benefits (Phalashruti)
  • পরম ভক্তি, চিত্তের আনন্দ ও সর্বপ্রকার উদ্বেগ থেকে মুক্তি

প্রেক্ষাপট

এই ভজনটি ভক্তিমূলক কবিতার একটি অংশ, যা কৃষ্ণের প্রতি গভীর প্রেম ও ভক্তির প্রকাশ। এটি সাধারণত ভজন সভা বা কীর্তন অনুষ্ঠানে গাওয়া হয়, যেখানে ভক্তরা কৃষ্ণের নাম ও গুণগান করে। এই ধরনের ভজন উত্তর ভারতের ভক্তি আন্দোলনের ঐতিহ্যের অংশ, যা ষোড়শ শতাব্দীতে বিশেষভাবে বিকশিত হয়েছিল।

আপনি কি জানেন?

রাধা-মীরার সমান্তরাল

এই ভজনটি রাধা ও মীরার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম সমান্তরাল টানে—যেমন রাধা কৃষ্ণের প্রেমে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তেমনই মীরাবাঈ নিজেকে কৃষ্ণের 'দাসী' বলে ঘোষণা করেছিলেন। গানের সুরে বারবার ফিরে আসা 'রাধা का भी श्याम हो तो मीरा का भी श्याम' লাইনটি এই ভাবটিকেই প্রতিষ্ঠিত করে যে ভক্তি ও প্রেমে জাত-পাত বা সামাজিক মর্যাদার কোনো বাছবিচার নেই।

বাঁশির ডাকের রহস্য

কৃষ্ণের বাঁশি (বংশী) কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র নয়—ভক্তি সাহিত্যে এটি আত্মার প্রতি ঈশ্বরের আহ্বানের প্রতীক। এই ভজনের মূল প্রশ্ন 'কৌন জানে বাঁসুরিয়া কিসকো বুলায়ে' (কে জানে বাঁশি কাকে ডাকে) সেই চিরন্তন রহস্যের দিকেই ইঙ্গিত করে যে ভগবানের ডাক প্রতিটি জীবের কানে পৌঁছায়, কিন্তু শুধুমাত্র যার মন শুদ্ধ, সেই-ই তার সুর শুনতে পায়।

বৃজধামের প্রেমের ভূগোল

গানে 'জমুনা কী লহরেঁ' (যমুনার ঢেউ) এবং 'বংশীবট কী ছাইয়া' (বংশীবটের ছায়া)—এই দুটি স্থান মথুরা-বৃন্দাবনের সেই পবিত্র ভূখণ্ডের প্রতীক, যেখানে কৃষ্ণ তাঁর বাঁশি বাজাতেন। 'বংশীবট' হলো যমুনার তীরে অবস্থিত সেই বিখ্যাত বটগাছ, যেখানে কৃষ্ণ বাঁশি বাজিয়ে গোপীদের ডাকতেন—এই ভজন সেই লীলাভূমির স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলে।

মীরার 'বদনাম'-এর গৌরব

'লোগ করুন মীরা কো ইউঁ হি বদনাম'—এই পঙক্তিটি মীরাবাঈয়ের জীবনের একটি ঐতিহাসিক সত্যকে স্পর্শ করে। রাজস্থানের মেওয়াড়ের রাজপরিবারে বিধবা হয়ে মীরা কৃষ্ণভক্তিতে মগ্ন ছিলেন, যা তখনকার সমাজের রীতিনীতির পরিপন্থী ছিল বলে তাঁকে বহু সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। কিন্তু এই ভজন সেই 'বদনাম'-কেই গৌরবের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে—যে প্রেম সমাজের চোখে অপরাধ, তা-ই ঈশ্বরের চোখে শ্রেষ্ঠ সাধনা।

ভক্তির অদ্বৈত দর্শন

গানের শেষ লাইন 'রাধা का भी श्याम हो तो मीरा का भी श्याम'—এটি ভক্তি আন্দোলনের একটি মৌলিক শিক্ষা প্রদান করে। ষোড়শ শতকের ভক্তি আন্দোলনে প্রচারিত হয়েছিল যে ঈশ্বরের কাছে সবাই সমান—রাধা যেমন প্রিয়, তেমনই মীরাও প্রিয়। এই ভজন সেই অদ্বৈত ভাবকে সহজ ভাষায় প্রকাশ করে যে ভক্তি কোনো একজনের একচেটিয়া সম্পত্তি নয়, বরং প্রতিটি প্রেমিক হৃদয়ের জন্য উন্মুক্ত।

Krishnaর সম্পূর্ণ স্তোত্র ও প্রার্থনা

Krishna

Krishnaর সব দেখুন →

হিন্দুধর্ম থেকে আরও

সব দেখুন