Bharat Devotion
Embroidered artwork for গুরু বন্দনা (জৈন স্তোত্র): Embroidered Jain ahimsa palm with a gold wheel, white marble temples and lotuses at dawn

গুরু বন্দনা (জৈন স্তোত্র)

গুরু বন্দনা (জৈন স্তোত্র)

এটি একটি ভক্তিমূলক স্তোত্র যা জৈন ধর্মের গুরুকে (আধ্যাত্মিক শিক্ষক) সম্মান জানিয়ে রচিত। এতে গুরুকে সংযম, জ্ঞান ও করুণার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

শ্লোক

পঞ্চিংদিয-সংবুডে, পঞ্চাণং জোইযাণ পণ্ণত্তে ছক্কায-রক্খণট্টে, বংদামি গুরুং উবজ্ঝাযং
Panchindiya-samvude, panchanam joiyanam pannatte Chhakkay-rakkhanatthe, vandami gurum uvajjhayam

শ্লোক 1

জো পংচ-সমিদি-গুত্তো, তিগুত্তো নাণ-দসণ-চরত্তে তংতো সংজম-তবে, বংদামি গুরুং উবজ্ঝাযং
Jo panch-samidi-gutto, tigutto naan-dasan-charatte Tanto sanjam-tave, vandami gurum uvajjhayam

শ্লোক 2

পংচাচার-জুত্তো, পংচ-বিহং আলযং চ জো পালে দস-লক্খণ-ধম্ম-রও, বংদামি গুরুং উবজ্ঝাযং
Panchaachaar-jutto, panch-viham aalayam cha jo paale Das-lakkhan-dhamm-rao, vandami gurum uvajjhayam

শ্লোক 3

Worship Guidelines & Chanting Benefits (Phalashruti)

Auspicious Day

প্রতিদিন অথবা শুভ তিথিতে

Best Time (Muhurta)

ব্রাহ্ম মুহূর্ত (সকাল ৪টা - ৬টা) অথবা সন্ধ্যাবেলা

Sacred Offerings

ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, তাজা ফুল ও নৈবেদ্য

Spiritual Benefits (Phalashruti)
  • মানসিক শান্তি, আধ্যাত্মিক উন্নতি ও শুভ শক্তি

প্রেক্ষাপট

এটি জৈন ধর্মের একটি প্রাচীন স্তোত্র, যা গুরু বা আধ্যাত্মিক শিক্ষকের গুণগান করে। স্তোত্রটি পালি-প্রাকৃত ভাষায় রচিত এবং এটি জৈন সাধকদের দৈনন্দিন প্রার্থনার অংশ হিসেবে গাওয়া হয়ে থাকে। গুরুকে পঞ্চেন্দ্রিয় সংযম, পাঁচ প্রকার জ্ঞান ও ছয় প্রকার জীবের রক্ষার মতো গুণাবলীর অধিকারী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই স্তোত্রটি জৈন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ করে গুরু পূজা বা গুরু বন্দনার সময় ব্যবহৃত হয়।

আপনি কি জানেন?

ভাষা

এই স্তোত্রটি প্রাকৃত ভাষায় রচিত, যা সংস্কৃতের একটি প্রাচীন ও জনপ্রিয় রূপ। জৈন ধর্মের অনেক প্রাচীন শাস্ত্র ও স্তোত্র এই ভাষায় লেখা, কারণ এটি সাধারণ মানুষের কাছে বেশি সহজলভ্য ছিল।

গুরুর ভূমিকা

জৈন ঐতিহ্যে গুরু বা উপাধ্যায় হলেন আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক, যিনি শিষ্যকে পাঁচটি ইন্দ্রিয়কে সংযত করতে, ছয়টি জীবকায় (পৃথিবী, জল, অগ্নি, বায়ু, উদ্ভিদ ও প্রাণী) রক্ষা করতে এবং সঠিক জ্ঞান, দর্শন ও চরিত্র গঠনে সাহায্য করেন।

পাঁচ সমিতি

এই স্তোত্রে 'পঞ্চ-সমিদি' অর্থাৎ পাঁচটি সতর্কতা উল্লেখ আছে — চলাফেরা, কথা বলা, খাদ্য গ্রহণ, জিনিসপত্র রাখা ও মলত্যাগের সময় জীবদের ক্ষতি না করা। এই নিয়মগুলোই জৈন সন্ন্যাসীদের দৈনন্দিন জীবনের ভিত্তি।

পাঁচ আচার

'পঞ্চাচার' বলতে জ্ঞান, দর্শন, চরিত্র, তপস্যা ও শক্তির সঠিক ব্যবহার বোঝায়। গুরু যিনি এই পাঁচটি আচরণে নিষ্ঠাবান, তিনিই সত্যিকারের পূজনীয়।

দশ লক্ষণ ধর্ম

শেষ শ্লোকে 'দশ-লক্ষণ-ধর্ম' অর্থাৎ ক্ষমা, মৃদুতা, সরলতা, সত্য, শৌচ, সংযম, তপস্যা, ত্যাগ, অকিঞ্চন ও ব্রহ্মচর্য — এই দশটি গুণের অনুশীলনের কথা বলা হয়েছে। এই গুণগুলোই জৈন ধর্মের নৈতিক ভিত্তি।

Mahaviraর সম্পূর্ণ স্তোত্র ও প্রার্থনা

Mahavira

Mahaviraর সব দেখুন →

জৈনধর্ম থেকে আরও

সব দেখুন