বেগমপুরা শহরের নাম
ভক্ত রবিদাসের এই শব্দটি বেগমপুরার বর্ণনা দেয়, এক নিখুঁত নগরী যেখানে দুঃখ, কর ও ভয় নেই; এটি সামাজিক সমতা ও আধ্যাত্মিক মুক্তির এক দর্শন।
শ্লোক
বেগমপুরা — 'দুঃখহীন শহর' এর নাম। সেখানে কোনো কষ্ট বা উদ্বেগ নেই।
শ্লোক 1
কর, সম্পত্তি, ভয়, ত্রুটি বা পতন নিয়ে কোনো উদ্বেগ নেই।
শ্লোক 2
Worship Guidelines & Chanting Benefits (Phalashruti)
প্রতিদিন অথবা শুভ তিথিতে
ব্রাহ্ম মুহূর্ত (সকাল ৪টা - ৬টা) অথবা সন্ধ্যাবেলা
ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, তাজা ফুল ও নৈবেদ্য
- মানসিক শান্তি, আধ্যাত্মিক উন্নতি ও শুভ শক্তি
প্রেক্ষাপট
এই অংশটি ভক্ত রবিদাসের একটি শব্দের, যিনি ভক্তি আন্দোলনের ১৫শ-১৬শ শতাব্দীর চর্মকার-সন্ত ছিলেন, এবং এটি শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিবের অঙ্গ ৩৪৫-এ রাগ গউড়ীতে রয়েছে। পদগুলিতে “বেগমপুরা” (আক্ষরিক অর্থে “দুঃখহীন নগর”) নামে একটি রূপক নগরীর বর্ণনা আছে, যা এক ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক সমাজের দর্শন, যেখানে কষ্ট, ভয়, কর ও জাগতিক বোঝা নেই। ঐতিহ্যগতভাবে এই শব্দটি সামাজিক সমতা ও আধ্যাত্মিক মুক্তির ভাবনা হিসেবে পাঠ বা কীর্তন করা হয়, এবং রবিদাসী সম্প্রদায় ও শিখ ভক্তিসমাবেশে এটি বিশেষভাবে শ্রদ্ধেয়।
এই পাঠ সম্পর্কে
রচয়িতা: Bhagat Ravidas · Medieval Nirguna Bhakti Poet-Saint · 15th–16th century, Varanasi
A poet-saint and leather worker by trade from Varanasi, whose hymns envisioned Begampura — a utopian realm free of sorrow, fear, and caste-based inequality. His compositions are included in the Guru Granth Sahib and form the devotional core of the modern Ravidassia tradition.
আপনি কি জানেন?
রচনাকার ও উৎস
এই শব্দটি ভক্ত রবিদাসের রচনা, এবং এটি শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিবের অঙ্গ ৩৪৫-এ রাগ গউড়ীতে রয়েছে।
“বেগমপুরা”-র অর্থ
“বেগমপুরা” শব্দের অর্থ “দুঃখহীন নগর” বা “শোকহীন নগর”। এটি আধ্যাত্মিক ও সামাজিক পূর্ণতার একটি রূপক রাজ্য, যেখানে কর, ভয় ও শাস্তি নেই।
কাব্যিক গঠন
পদগুলি একটি স্থির ছন্দে সলোক (দোঁহা) আকারে লেখা। প্রতিটি পঙ্ক্তি সেই আদর্শ নগরীতে কী নেই তা তালিকা করে, যা পার্থিব জীবনের কষ্টের সঙ্গে তীব্র বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
ধর্মতাত্ত্বিক ও সামাজিক তাৎপর্য
বেগমপুরা একদিকে ঈশ্বরের সঙ্গে মিলনের আধ্যাত্মিক অবস্থা, অন্যদিকে জাতি ও সামাজিক শ্রেণিবিভাজনমুক্ত সাম্যভিত্তিক সমাজের দর্শন। এটি ভক্ত রবিদাসের নিজের জীবনের প্রতিফলন, যিনি জাতিগত বৈষম্যকে প্রশ্ন করা এক চর্মকার-সন্ত ছিলেন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ভক্ত রবিদাস তাঁর সময়ের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বোঝার মধ্যে এই স্তোত্রটি রচনা করেন। “কর নেই” (খিরাজ) ও “ভয় নেই” (খৌফ) উল্লেখ সরাসরি ১৫শ-১৬শ শতাব্দীর ভারতের সাধারণ মানুষের কষ্টের প্রতিফলন।
Guru Ravidas Ji
রবিদাসিয়া থেকে আরও
সম্পর্কিত শিক্ষা
একই শিক্ষা, বিভিন্ন ঐতিহ্যে প্রতিধ্বনিত
