Bharat Devotion
Embroidered artwork for পার্শ্বনাথ স্তোত্র: Embroidered Jain ahimsa palm with a gold wheel, white marble temples and lotuses at dawn

পার্শ্বনাথ স্তোত্র

পার্শ্বনাথ স্তোত্র

এটি একটি জৈন স্তোত্র যা ভগবান পার্শ্বনাথের প্রশংসা করে। এই স্তোত্রে বলা হয়েছে যে পার্শ্বনাথের প্রভাবে সমস্ত জীব সুখ লাভ করে এবং দুঃখ থেকে মুক্ত হয়।

শ্লোক

ণমিউণ সব্বসিদ্ধে, ধম্মং সুদ্ধং চ কেবলং নাণং বংদিউং পাসজিণং, ভবভযহরণং ণমংসামি
Namiuna Savvasiddhe, Dhammam Suddham Cha Kevalam Nanam Vandium Pasajinam, Bhavabhayaharanam Namamsami

শ্লোক 1

জেণ উবসগ্গঘোরে, ঘোরমণে উবসগ্গিউং মুণিবরং ধণংজযউপ্পণ্ণং, দুট্ঠেণ কএণ অসুরেণ
Jena Uvasaggaghore, Ghoramane Uvasaggium Munivaram Dhananjayuppannam, Dutthena Kayena Asurena

শ্লোক 2

তেণ বিণিবাইউং তং, ঘোরং উবসগ্গদুক্খমুপ্পণ্ণং পাসজিণস্স প্রভাবো, তং ণমংসামি সিরসাহং
Tena Vinivaium Tam, Ghoram Uvasaggadukkhamuppannam Pasajinassa Pabhavo, Tam Namamsami Sirisaham

শ্লোক 3

জেণ সব্বে বি জীবা, পাবংতি সুহং দুক্খবিপ্পমুক্কা য তং ণমংসামি পাসং, ভবভযহরণং ণমংসামি
Jena Savve Vi Jeeva, Pavanti Suham Dukkhavippamukka Ya Tam Namamsami Pasam, Bhavabhayaharanam Namamsami

শ্লোক 4

ইদি কযং মণইবসূরীহিং, ভযহরে থুঅং পাসজিণস্স জেণ পডই ণ য ভযং, দুগ্গইদুক্খং চ পাবংতি
Idi Kayam Manaivasuriheen, Bhayahare Thuam Pasajinassa Jena Padai Na Ya Bhayam, Duggaidukkham Cha Pavanti

শ্লোক 5

Worship Guidelines & Chanting Benefits (Phalashruti)

Auspicious Day

প্রতিদিন অথবা শুভ তিথিতে

Best Time (Muhurta)

ব্রাহ্ম মুহূর্ত (সকাল ৪টা - ৬টা) অথবা সন্ধ্যাবেলা

Sacred Offerings

ঘিয়ের প্রদীপ, ধূপ, তাজা ফুল ও নৈবেদ্য

Spiritual Benefits (Phalashruti)
  • মানসিক শান্তি, আধ্যাত্মিক উন্নতি ও শুভ শক্তি

প্রেক্ষাপট

এই স্তোত্রটি জৈন ধর্মের একটি প্রাচীন স্তোত্র। এটি প্রাকৃত ভাষায় রচিত এবং প্রথাগতভাবে মুনি মণতুঙ্গ সুরির রচনা বলে মনে করা হয়। এই স্তোত্রটি সাধারণত ভগবান পার্শ্বনাথ তীর্থংকরের উপাসনায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভয় বা বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পাঠ করা হয়।

এই পাঠ সম্পর্কে

রচয়িতা: Acharya Manatunga · Jain Acharya · Traditionally 6th–7th century CE

A Jain monk credited with composing the Bhaktamara Stotra, a 48-verse hymn to the first Tirthankara Rishabhanatha. According to tradition, he composed it while imprisoned, with each completed verse miraculously breaking one of his chains — a devotional legend rather than a historically verified event, but central to how the hymn is revered today.

Acharya Manatunga-এর আরও

আপনি কি জানেন?

রচনা ও ভাষা

এই স্তোত্রটি প্রাকৃত ভাষায় রচিত, যা সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত একটি প্রাচীন ভাষা এবং জৈন ধর্মীয় সাহিত্যে বহুল ব্যবহৃত। রচয়িতা মনইবসূরি, যিনি জৈন ঐতিহ্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ আচার্য।

কেন্দ্রীয় বিষয়

স্তোত্রটি তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথের (পার্শ্বজিন) উদ্দেশ্যে নিবেদিত। পার্শ্বনাথ হলেন জৈন ধর্মের ২৩তম তীর্থঙ্কর, যিনি মহাবীরের প্রায় ২৫০ বছর আগে (খ্রিস্টপূর্ব ৯ম শতকে) আবির্ভূত হয়েছিলেন বলে ঐতিহ্যে বিবৃত।

পটভূমি

এই স্তোত্রটি সেই বিখ্যাত ঘটনার স্মরণে রচিত, যেখানে দুষ্ট অসুর মেঘমালী (কথিত নাম) ঘোরতর উপসর্গ (প্রতিবন্ধকতা বা বিপদ) সৃষ্টি করে ধনঞ্জয় নামক এক মুনিকে আক্রমণ করেছিল। মুনির ধ্যান ভঙ্গ করতে অসুর প্রবল ঝড়, বৃষ্টি ও ভয়ঙ্কর দৃশ্য তৈরি করেছিল।

অলৌকিক প্রভাব

স্তোত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, পার্শ্বনাথের প্রভাবে সেই ঘোর উপসর্গ সম্পূর্ণরূপে বিনষ্ট হয়েছিল। এই ঘটনা পার্শ্বনাথের করুণা ও শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবৃত, যা ভক্তদের ভয় ও দুর্গতি থেকে রক্ষা করে।

আশ্বাসের বাণী

শেষ শ্লোকে বলা হয়েছে, যিনি এই স্তোত্রটি শ্রদ্ধার সাথে পাঠ করেন বা শোনেন, তাঁর জীবনে ভয়, দুর্গতি ও দুঃখ কখনোই প্রবেশ করে না। এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক স্তোত্র হিসেবে পরিচিত, যা পাঠকের মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুরক্ষা প্রদান করে।

কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য

স্তোত্রটি পাঁচটি শ্লোকে বিভক্ত, যার প্রতিটি শ্লোকে পার্শ্বনাথের গুণগান ও তাঁর শরণাগতির ভাব প্রকাশ পেয়েছে। 'ণমংসামি' (আমি প্রণাম করি) শব্দটি বারবার পুনরাবৃত্তি হয়ে ভক্তির গভীরতা ও নম্রতার ভাবকে দৃঢ় করে।

Parshvanathaর সম্পূর্ণ স্তোত্র ও প্রার্থনা

Parshvanatha

Parshvanathaর সব দেখুন →

জৈনধর্ম থেকে আরও

সব দেখুন